আল্লাহর পথে যাত্রা
320.00৳
আল্লাহর পথে যাত্রা
লেখক : আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক
প্রকাশনী : মাকতাবাতুস সালাফ
বিষয় : ঈমান ও আকিদা, ও আত্মউন্নয়ন মোটিভেশন
আল্লাহর পথে যাত্রা
লেখক : আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক
প্রকাশনী : মাকতাবাতুস সালাফ
বিষয় : ঈমান ও আকিদা, ও আত্মউন্নয়ন মোটিভেশন
লেখক পরিচিতি
আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক জন্ম গাইবান্ধায়। বেড়ে উঠা রাজশাহীতে। পিতা আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ, মাতা উম্মে মারিয়াম রাযিয়া; উভয়েই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের হাতেই লেখকের পড়াশোনার হাতেখড়ি। কুরআন ও হাদীছের উচ্চতর জ্ঞান অর্জন করেছেন দারুল উলুম দেওবান্দ, ভারত ও মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সউদী আরব থেকে। কুরআন মাজীদ হিফয সম্পন্ন করেছেন গিলেটবাজার মাদরাসা, বানারস থেকে। তার অন্যতম শিক্ষকগণ হচ্ছেন মাওলানা বদীউজ্জামান (রাহি), শায়খ আব্দুল খালেক সালাফী, শায়খ আব্দুস সামাদ সালাফী, মুফতী সাঈদ আহমাদ পালানপুরী, মাওলানা নিয়ামাতুল্লাহ আ\’যমী, মুফতী হাবীবুর রহমান আ\’যমী, শায়খ আওয়াদ আর-রুওয়াইছী, শায়খ আয়মান আর-রুহাইলী, শায়খ আনীস ত্বাহের, শায়খ আব্দুল বারী বিন হাম্মাদ আল-আনছারী, শায়খ মুহাম্মাদ বিন হাদী আল-মাদখালী প্রমুখ।
মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদীছ ডিপার্টমেন্ট থেকে অনার্স সম্পন্ন করে তিনি যুক্তরাজ্যের ডান্ডি ইউনিভার্সিটিতে ইসলামিক ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স নিয়ে
বিবরণ
আল্লাহর পথে যাত্রা একটি গভীর আধ্যাত্মিক এবং রূপক শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হলো স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন এবং তার আদেশ-নিষেধ মেনে চলার মাধ্যমে জীবন পরিচালিত করা। এটি কেবল একটি শারীরিক ভ্রমণ নয়, বরং এটি হলো বিশ্বাস, কর্ম এবং নিয়তের এক সম্মিলিত পথচলা।
এই যাত্রার মূল দিকগুলো হলো:
ঈমান ও বিশ্বাস: আল্লাহর একত্ববাদ (তাওহীদ) এবং তার প্রেরিত সকল নবী-রাসূল, আসমানী কিতাব ও পরকালের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রাখা।
ইবাদত: নিয়মিত নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতের মতো বাধ্যতামূলক ইবাদতগুলো সঠিকভাবে পালন করা।
সৎকর্ম: মানুষের প্রতি দয়া, সততা, ন্যায়বিচার এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করা।
পাপ বর্জন: আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন, যেমন মিথ্যাচার, জুলুম, সুদ, ঘুষ ইত্যাদি থেকে নিজেকে বিরত রাখা।
আল্লাহর স্মরণ (জিকির): জীবনের প্রতিটি কাজে আল্লাহকে স্মরণ রাখা এবং তার কাছে সাহায্য চাওয়া।
মূলত, আল্লাহর পথে যাত্রা মানে হলো দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী সুখের পরিবর্তে আখিরাতের (পরকালের) চিরস্থায়ী শান্তির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা
